রায় সরকারের জন্য বুমেরাং হওয়ার আশংকা প্রকৃত আসামীরা আড়াল হলে সেনাবাহীনি ক্ষেপে যাবে বিদ্রোহ নিয়ে সেনা তদন্ত এড়াতে শেখ তাপস গা ঢাকা দেয় বিদেশে

23:23 by


রায় সরকারের জন্য বুমেরাং হওয়ার আশংকা
প্রকৃত আসামীরা আড়াল হলে সেনাবাহীনি ক্ষেপে যাবে
বিদ্রোহ নিয়ে সেনা তদন্ত এড়াতে শেখ তাপস গা ঢাকা দেয় বিদেশে

  ডেস্ক রিপোর্টঃপিলখানা হত্যা মামলার রায়আজ বুধবার ঘোষণা হচ্ছেনা কথাছিলো পুরান ঢাকার আলিয়ামাদ্রাসার পাশে কেন্দ্রীয় কারাগারসংলগ্ন মাঠে স্থাপিত অস্থায়ীতৃতীয় মহানগর দায়রা জজআদালত রায় ঘোষণাকরবে
মোট ২৩২ কার্যদিবসে সাড়ে৬০০ জনের সাক্ষ্য নেয়াহয়েছিলো মামলায়। রায়ঘোষনাকে কেন্দ্র করে আদালত এলাকায়নেয়া হয়েছিলো বিশেষ নিরাপত্তা ব্যবস্থা
দেশের ফৌজদারি অপরাধের ইতিহাসে সবচেয়ে বেশি সংখ্যকঅভিযুক্তের মামলা পিলখানা হত্যামামলার বিচারকাজ শেষ করতে সময়লেগেছে ২৩২ কার্যদিবস। সাড়ে৮০০আসামির মধ্যে ৮২৬ জনেরউপস্থতিতে গত ২০ অক্টোবরমামলার রায়ের তারিখ ঘোষণাকরে মহানগর দায়রা জজআদালত। আসামিদের মধ্যে বিএনপি নেতানাসিরউদ্দিন পিন্টুও রয়েছেন
মামলায় সাক্ষ্যগ্রহণ যুক্তিতর্ক উপস্থাপনেরমাধ্যমে হত্যাকণ্ডের প্রকৃত ঘটনা প্রমাণকরা সম্ভব হয়েছে বলেমনে করছেন রাষ্ট্রপক্ষের আইনজীবীমোশাররফ হোসেন কাজল
মামলার বিচারিক কার্যক্রম নিয়ে সন্তুষ্ট রাষ্ট্রপক্ষের আইনজীবী। রায়ে ন্যায় বিচারেরপ্রতিফলন হবে বলে মনেকরছেন তিনি


উল্লেখ, ২০০৯ সালের ২৫ ২৬ ফেব্রুয়ারি বিডিআরসদরদপ্তর পিলখানা হত্যাযজ্ঞে ৫৭ সেনা কর্মকর্তাসহনিহত হয় ৭৪ জন।এরইমধ্যে বিজিবি আইনে বিদ্রোহেরদায়ে বিশেষ ট্রাইব্যুনালে ঘটনার সঙ্গে জড়িতদের বিচারকরা হয়েছে। হত্যাকাণ্ডের দায়েঅভিযুক্তদের বিচার হচ্ছে প্রচলিতআইনে
২৫ ফেব্রুআরির পিলখানায় নারকীয় সেনা হত্যাযঙ্গেরকথা আজও ভুলতে পারেনিজাতি। কি হয়েছিল সেদিন? কারা বা কাদের নির্দেশেএই হত্যাযঙ্গ সংগঠিত হয়েছিল?? উইকিলিকসেরসেই কথাটিই ফাঁস করেদিল। নিচে বিস্তারিতঃ
সেনা হত্যা নিয়ে সেনাবাহিনীরগঠিত তদন্ত রিপোর্টে মোটামুটিউঠে এসেছিল সব কিছু।কিন্তু প্রধানমন্ত্রী হাসিনা সে তদন্তরিপোর্ট বাতিল করে দিয়েছে।তবে অনলাইনের কল্যানে জনগণ সব জেনেগেছে ভেতরের গোপন কথা।বাংলাদেশ সেনাবাহিনীর প্রতিটি সৈনিক অফিসারজানেকেনো, কোন্ পরিকল্পনায়, কারা পিলখানায় ৫৭ সেনা অফিসারহত্যা করেছে। সেটাই সংক্ষিপ্তভাবেতুলে ধরা হলো
. RAW: ভারতের গোয়েন্দা সংস্থা ‘R&AW’এর পরিকল্পনায় ব্যবস্থাপনায়পিলখানা হত্যাকান্ডঘটে এরমূল লক্ষ ছিল- পাদুয়া রৌমারীর ঘটনার বদলা নেয়াএবং বিডিআর বাহিনী ধংসকরে দেয়া ২০০১সালের এপ্রিল মাসে কুড়িগ্রামেররৌমারীতে বিডিআর-বিএসএফ যুদ্ধে১৫০ জন বিএসএফ নিহতহয় এরআগে পাদুয়ায় নিহত হয় ১৫বিএসএফ বিডিআরডিজি মেজর জেনারেল এএলএমফজলুর রহমানের নির্দেশে যুদ্ধে অংশনেয় বিডিআর ঘটনার পরে ভারতীয় ডিফেন্সমিনিষ্টার জসবন্ত সিং উত্তপ্তলোকসভায় জানান, ” ঘটনার বদলানেয়া হবেলক্ষকরুন, ১৯৭১ সালে যেসব শর্তে বাংলাদেশের স্বাধীনতাযুদ্ধে ভারত সামরিক সাহায্যদেয়, তার অন্যতম শর্তছিল “Frontier Guards will be disbanded” (CIA Report SC 7941/71). অর্থাৎবাংলাদেশের কোনো বর্ডার গার্ডথাকবে না কিন্তুস্বাধীনতার পরে নানা কারনেপাকিস্তান রাইফেলস বালাদেশ রাইফেলসে (বিডিআর) রূপ নেয়বিডিআর বাহিনীটি ছিলো আধাসামরিক বাহিনী, যার মূল কমান্ড ট্রেনিং ছিলো সেনাবাহিনীর কর্মকর্তাদেরমত অন্যদিকেভারতের বিএসএফ ছিলো সিভিলবাহিনী, যাদের ট্রেনিং, জনবলসবই ছিলো নিম্নমানেরএসব কারনে বর্ডারে কোনোযু্দ্ধ হলে তাতে বিডিআরসামরিক পেশাদারিত্ব দিয়ে বিজয়ী হত
পাদুয়া-রৌমারীর বদলা নেয়ার জন্যবিডিআর বাহিনী ধংস করারপরিকল্পনা করে ভারত লক্ষে ২০০৯ সালের২৫ ফেব্রুয়ারী সময়টিকে বেছে নেয়া হয়- যখন হাসিনার নতুন সরকারের ক্ষমতাগ্রহনের পর পর নাজুকসময় অনেকেইমনে করেন, ভারতীয় পরিকল্পনায়নির্বাচন ছাড়া অপ্রত্যাশিত পদ্ধতিতেহাসিনাকে ক্ষমতায় বসানোর নানা শর্তেরমধ্যে একটি গোপন শর্তথাকতে পারেবিডিআর ধংসকরাচুড়ান্তরিস্ক থাকা স্বত্ত্বেও হাসিনাকেতা মেনে নিতে হয় পরিকল্পনাঅনুযায়ী বিডিআর সৈনিকদের দাবীদাওয়ারআড়ালে মুল প্লানটি বাস্তবায়নেরজন্য মোট ৬০ কোটিরুপী বরাদ্দ করে ভারত এরমধ্যে পিলখানায় ১৫ থেকে ১৭কোটি টাকা বিলি হয়, যাতে প্রতিটি অফিসারের মাথার বদলে লক্ষ টাকা ইনাম নির্ধারনকরা হয় ১৯ ২১ ফেব্রুয়ারী ভারতীয়গোয়েন্দা সংস্থার বাছাই করা ১৫জন শুটারকে বাংলাদেশে প্রবেশ করানো হয়, যারা পশ্চিম বঙ্গ সরকারেরপাঠানো (প্রেমের নিদর্শন) লক্ষ মিষ্টিরসাথে বাংলাদেশে ঢুকে একজনবেসামরিক দর্জি কাছথেকে বিডিআর এর পোশাকবানিয়ে বিডিআর সপ্তাহ উপলক্ষেপিলখানায় উপস্থিত থাকে শুটাররাতাদের দায়িত্ব ছিলো লাল টেপওয়ালা(কর্নেল তদুর্ধ) অফিসারদেরহত্যা করা তারাএকটি বেডফোর্ড ট্রাক ব্যাবহার করে নং গেইট দিয়েপ্রবেশ করে ২৫ তারিখসকালে ঘটনারদিন সকাল ১১টায় বাংলাদেশেরকোনো সংবাদ মাধ্যম জানারআগেই ভারতের২৪ ঘন্টাটিভিতেপ্রচার করা হয় জেনারেলশাকিল সস্ত্রীক নিহত অর্থাৎমূল পরিকল্পনা অনুসারেই খবর প্রচার করেভারতীয় গণমাধ্যম!
পরিকল্পনাব্যর্থ হলে বা আর্মিরপদক্ষেপে শেখ হাসিনার জীবনবিপন্ন হলে তাকে নিরাপদেতুলে নিয়ে যাওয়ার জন্যভারতীয় ৩০ হাজার সৈন্য, ছত্রীবাহিনী যুদ্ধবিমান আসামেরজোরহাট বিমানবন্দরে তৈরী রেখেছিলো ভারত বিদ্রোহেরদিন ভারতের বিমান বাহিনীIL-76 হেভি লিফ্ এবংAN-32 মিডিয়াম লিফ্ এয়ারক্রাফটনিয়ে বাংলাদেশ সরকারকে পূর্ণ সহায়তা দিতেপুরোপুরি প্রস্তুত ছিলো ঐসময়প্রণব মুখার্জীর উক্তি মিডিয়ায় আসেএভাবে, “এই পরিস্থিতিতে বাংলাদেশকেসব ধরণের সহায়তা দিতেভারত প্রস্তুতআমিতাদের উদ্দেশ্যে কঠোর সতর্কবাণী পাঠাতেচাই, যারা বাংলাদেশে শেখহাসিনার সরকারকে দুর্বল করার চেষ্টাকরছে, তারা যদি কাজ অব্যাহত রাখে, ভারত হাতগুটিয়ে বসে থাকবে না, প্রয়োজনে সরাসরি হস্তক্ষেপ করবে


. শেখ হাসিনা : ভারতেরএই পরিকল্পনাটি প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনাকে অবহিতকরা হয় বেশ আগেই পরিকল্পনাবাস্তবায়নের নিমিত্তে ঘটনার সপ্তাহআগে তড়িঘড়ি করে প্রধানমন্ত্রীকে সুধাসদনথেকে সরিয়ে যমুনা অতিথিভবনে নেয়া হয়, কেননাপিলখানার ডেঞ্জার এরিয়ার মধ্যে ছিল ওটা রাষ্ট্রীয়অতিথি ভবন যমুনার মেরামতশেষ না হওয়া স্বত্ত্বেওভারতের সিগনালে খুব দ্রুততার সাথেহাসিনাকে সুধাসদন থেকে সরানো হয় এটাএক অসম্ভব ঘটনাপিলখানা হত্যাকান্ডের পরিকল্পনায় বিরাট সংখ্যায় সেনাঅফিসার হত্যা করা হবে, যেটা ১৯৭৫ সালে তারপিতৃহত্যার একটা বদলা হিসাবেহাসিনার কাছে সুখকর ছিলো এরমাধ্যমে বিডিআর নিশ্চিহ্ন হবে, টার্গেট করে বিপুল সংখ্যকসেনা অফিসার হত্যা করাহলে তাতে মূল সেনাবাহিনীরকোমর ভেঙ্গে যাবেগোয়েন্দা খবর পেয়ে ২৫তারিখে পৌনে টারমধ্যেই এনএসআই ডিজি প্রধানমন্ত্রীকেঅবহিত করে- “পিলখানায় বিদ্রোহহচ্ছেপ্রধানমন্ত্রীনিরব থাকেন! আক্রমনের পরেঅফিসারদের SOS পেয়ে সকাল ১০টারমধ্যে ্যাবের একটিদল, এবং ১০.২৫মিনিটে সেনাবাহিনীর একটি দল পিলখানারগেটে পৌছায় কিন্তুশেখ হাসিনা কোনো অভিযানচালানোর অনুমতি দেয়নিআশ্চয্যজনকভাবে তিনি সময় ক্ষেপনকরতে থাকেন আরএর মধ্যে ঘটতে থাকেনারকীয় হত্যাযজ্ঞ খেয়ালকরুন, সেনা অফিসাররা কোনোপ্রতিরোধ করেনি, কাজেই কিকারনে বিডিআর সৈনিকরা অফিসারদেরহত্যা করবে? এটা ছিলসুপরিকল্পিতভাবে সেনা অফিসার হত্যাকান্ড সারাদিনহত্যাকান্ড চালানোর সুযোগ দিয়ে বিকালেশেখ হাসিনা হত্যাকারীদের সাথেবৈঠক করে তাদের সাধারনক্ষমা ঘোষণা করেনকিন্তু তিনি একবারও জানতেচাননি, ডিজি শাকিল কোথায়? কি বিস্ময়!! জেনারেল জাহাঙ্গীরের তদন্ত কমিটি শেখহাসিনাকে জিজ্ঞাসাবাদের সুপারিশ করেছিল, যার ফলে হাসিনাক্ষেপে গিয়ে রিপোর্টধামাচাপা দেন


. গোয়েন্দা সংস্থা: ঢাকার দৈনিক প্রথমআলোর এক সাংবাদিক ঘটনারআগের দিন এটা জানারপর সে এনএসআইকে এইমর্মে অবহিত করে যে, পিলখানায় বিদ্রোহের প্রস্তুতি চলছে যার সাথেবিডিআর আওয়ামীলীগের নেতারাজড়িত এনএসআইথেকে উক্ত সাংবাদিককে বলাহয় বিষয়টা চেপে যেতে২৪ তারিখে প্রধানমন্ত্রীর পিলখানায়যাওয়ার আগের দিন পিলখানাঅস্ত্রাগার থেকে ৩টি এসএমজিখোয়া যায় তখনসেনা অফিসারদের দায়িত্ব দেয়া হয় অস্ত্রাগারপাহারায় যদিওপ্রধানমন্ত্রীর সফরের সময় উচ্চনিরাপত্তা ব্যবস্থা গোয়েন্দাগিরি বহালথাকে নূন্যতমকোনো বিচ্যুতি ঘটলে প্রোগ্রাম বাতিলহয় এতকিছু সত্তেও ২৪ তারিখেপ্রধানমন্ত্রী সেখানে যানমূলত: বিদ্রোহের আগাম বার্তা সেনাপ্রধানম্ইন, ডিজিএফআই প্রধান মোল্লা ফজলেআকবর (ইনি হাসিনার একসময়ের প্রেমিক ছিলেন), এনএসআই প্রধান মেজরজেনারেল মুনির, সিজিএস মেজরজেনারেল সিনা জামালী, বিডিআরকমিউনিকেশন ইনচার্জ লেঃ কর্নেল কামরুজ্জামান, ৪৪ রাইফেলএর সিওশামস, মুকিম সালাম-এর জানা ছিল কেননা২৫ তারিখের আগেই দাবী দাওয়ারলিফলেটের কপি ডিজি শাকিল, এনএসআই সরকারের কাছেপৌছে এমনকিমাঠ পর্যায়ের বহু সেক্টর কমান্ডাররাজানত, ২৫ তারিখে একটাঘটনা ঘটবে পরিকল্পনামতপ্রধানমন্ত্রীর অফিস থেকে ২৪তারিখে জানিয়ে দেয়া হয়, প্রধানমন্ত্রী২৬ তারিখের নৈশভোজে যাচ্ছেন না এমনঘটনা অতীত কখনও কখনোঘটেনি!


. জেনারেল মইন আহমেদ: তৎকালীন সেনাপ্রধান /১১রপ্রধান কুশীলব ২০০৮সালের গোড়ার দিকে ভারতসফর করে মইন চেয়েছিলেনপূর্ন ক্ষমতায় যাওয়ার জন্য ভারতীয় সমর্থন ভারতরাজী হয়নি, বরং লীগকে ক্ষমতায় আনারলক্ষে মইনকে কাজ করতেবলে, বিনিময়ে সেফ প্যাসেজ পাবেকুশীলবরা উপায়ান্তরনা দেখে মইন রাজীহয় এবং ২৯ ডিসেম্বরপূর্বপরিকল্পিত ফলাফলের নির্বাচনে ক্ষমতার পালবদল ঘটায়মইনের বদলে আসেন হাসিনা! ওয়ান ইলেভেনের খলনায়করা যে সব রাজনীতিবিদদেরঅত্যাচার করেছে, তাদের বিচারেরজন্য ফেব্রুয়ারীর দ্বিতীয় সপ্তাহে সংসদে প্রবল দাবীওঠে তখনসেনাবাহিনীর চাপের মুখে জেনারেলমইন নিজে দেখা করেনপ্রধানমন্ত্রী হাসিনার সাথে সংসদ অফিসে এরপরশেখ হাসিনা ধমকে দেনমখা আলমগীর, আবদুল জলিলদের, যাতেকরে সেনাবাহিনীর বিচারের দাবী আর নাতুলে হাসিনা সময় হুঁশিয়ার করেন, “কিভাবে ক্ষমতায় এসেছি, সেটা কেবলআমিই জানিঅন্যদিকে সময়ই ভারত তারপ্লানমত এগিয়ে যায় বিডিআরঅপারেশনে মইনকেবলা হয় প্রয়োজনীয় সাপোর্টদিতে মইনতার দুবছরের অপকর্মেরস্বাক্ষী আর্মি অফিসারদের আগেথেকেই পোষ্টিং দিয়ে জড়ো করেবিডিআরে এদেরনিধন করা হলে মইনেরঅপকর্মের সাক্ষী আর পাওয়াযাবে না ফলেমইনের বিরাট প্রয়োজন হয়েপড়েছিল এই হত্যাযজ্ঞঅন্যদিকে এত সেনা অফিসারনিহত হলে /১১নিয়ে সেনাবাহিনী তথা মইনের বিরুদ্ধেরাজনীতিবিদরা আর মুখ খুলবেনা এতকালআর্মির রদ্দিমালগুলো যেতো বিডিআরেকিন্তু এবারে দেখা যায়ভিন্ন চিত্র- পরিকল্পিতভাবে অনেকচৌকশ অফিসার একসাথে পাঠানোহয় বিডিআরে পিলখানাহত্যাকান্ডের মাত্র মাসআগে গুলজারকে ষ্টান্ড রিলিজ করে বিডিআরেযোগ দিতে বাধ্য করাহয় রাইফেলসসপ্তাহের আগেই কানাঘুসা শুরুহয়- ২৫ তারিখে বিদ্রোহহবে তাইঅনেক অফিসার নানা অযুহাতদিয়ে ছুটিতে চলে যায় সেনাপ্রধানমইনের পিলখানা হত্যাকান্ডে সরাসরি জড়িত ছিল, যার প্রমান মেলে ঘটনারসাথে সাথেই আক্রান্ত ডিজিশাকিল অফিসাররা মইনকেফোনে জানায় মইনআশ্বাস দেন সেনা পঠাচ্ছি অথচতিনি কোনো ব্যবস্থা নেননি, সময় ক্ষেপন করেহত্যার সুযোগ তৈরী করেদেয় ম্ইনচলে যায় যমুনায় প্রধানমন্ত্রীরসাথে দেখা করতেতেজগাওয়ে এয়ারফোর্স রেডি, আর্মি রেডিসেনিাবাসে কিন্তুহুকুম আসে নাবিকালে কিছু সেনা যানবাহন ধানমন্ডি পর্যন্ত পৌছে গেলেও অপারেশনেরঅনুমতি দেয়নি হাসিনা ম্ইন ঘটনার দিন পরে মার্চে হাসিনা সেনাকুঞ্জে গেলেমইন সেনা অফিসারদের ব্যাপকঅসন্তোষের মুখে পরেনএমনকি নিহতদের জানাজার সময় মইনকে চেয়ারতুলে মারতে যায় কেউকেউ উল্টো, সেনাকুঞ্জে যে সব সেনাঅফিসার বিচার চেয়ে জোরগলায় বক্তৃতা করেছিল, প্রতিবাদ করেছিল- ভিডিও দেখে দেখেএমন প্রায় দুজনকে চাকরীচ্যুত করেছে মইন অনেকঅফিসারকে বিভিন্ন ষড়যন্ত্র মামলায় কারাদন্ডও দেয়া হয়েছে

. সজীব ওয়াজেদ জয়: শেখ হাসিনার এই পুত্রটি আগেথেকেই বাংলাদেশ সেনাবাহিনীর উপর ক্ষিপ্ত ছিলো ২০০৮সালের নির্বাচনের দেড় মাস আগে(১৯ নভেম্বর) হাসিনার উপদেষ্টা পুত্র সজিবওয়াজেদ জয় তার Stemming the Rise of Islamic Extremism in Bangladesh শীর্ষক নিবন্ধে উল্লেখ করেন, জোটসরকারের আমলে সেনাবাহিনীতে ৩০% মাদ্রাসার ছাত্ররা ঢুকানো হয়েছেএদের নির্মুল করে সেনাবাহিনী পূনর্গঠনকরতে হবে পিলখানায়বিপুল সেনা অফিসার হত্যাকরা হলে সেনাবাহিনীতে ব্যাপকসংস্কার করা সহজ হবে, এবং নতুন নিয়োগ করাযাবে- এমন বিবেচনায় জয়ভারতীয় প্রস্তাবটি গ্রহন করেনপিলখানা হত্যার পরে জয়দুবাই যান এবং সেখানেঢাকা থেকে আগত হত্যাকারীদেরনগদ পুরস্কৃত করেন বলে খবরপ্রকাশ
. শেখ ফজলে নূরতাপস: হাসিনার ফুফাত ভাই শেখফজলুল হক মনির ছেলেএই তাপস। ১৯৭৫ সালের১৫ আগষ্ট ঘটনায় তারপিতা নিহত হয়। তাপসঢাকা-১২র নির্বাচন করতেগিয়ে বিডিআর এলাকায় হাজার ভোট প্রাপ্তির লক্ষে৪৮ নং ওয়ার্ড আওয়ামীলীগসভাপতি তোরাব আলীমাধ্যমে বিডিআর নেতাদের সাথেযোগাযোগ করে। তাপসকে নিশ্চয়তাদেয়া হয় যে, বিডিআরসকল সদস্য নৌকায় ভোটদিবে। তার বদলে তাপসআশ্বাস দিয়েছিল বিডিআরের দাবী দাওয়া মেনেনেয়ার ব্যবস্থা করবে। তাপসের বাসায়(স্কাই ষ্টার) বিডিআরের প্রতিনিধিরা নিয়ে একাধিক বৈঠককরে। এমনকি দাবীদাওয়া পুরননা হওয়ায় পিলখানা বিদ্রোহের আগের দিন তাপসকেসম্ভাব্য বিদ্রোহের কথা জানানো হয়।তাপস তাতে সম্মতি দেয়এবং তাদের সার্বিক সহায়তারআশ্বাস দেয়। পিতৃহত্যার প্রতিশোধ নেয়ার জন্য তাপসও এই ষড়যন্ত্রকে কার্যকর হিসাবে মনে করে। ২৪ ফেব্রুয়ারী সন্ধ্যায় ফজলে নুর তাপসের ধানমন্ডিস্থ বাসায় ২৪ জন বিডিআর হত্যাকারী চুড়ান্ত শপথ নেয়। তোরাব আলী তার ছেলে লেদার লিটন পরিকল্পনাকারীদেরকে গোপন আস্তানা যাবতীয় সহায়তা প্রদান করে। বিডিআর বিদ্রোহের পরের দিন বিকালে শেখ তাপসের ঘোষনা প্রচার করা হয়, যাতে করে পিলখানার মাইল এলাকার অধিবাসীরা দূরে সরে যান। আসলে এর মাধ্যমে খুনীদের নিরাপদে পার করার জন্য সেফ প্যাসেজ তৈরী করা হয়েছিল। তাপসের এহেন কর্মকান্ডের বদলা নিতে তরুন সেনা অফিসাররা পরবর্তীতে তাপসের ওপর হামলা করে, কিন্তু ব্যর্থ হয়। পরে চৌকস কমান্ডো অফিসার চাকরীচ্যুত হয়ে কারাভোগ করছে। বিডিআর বিদ্রোহ নিয়ে সেনা তদন্ত এড়াতে তাপস কিছুদিন গা ঢাকা দেয় বিদেশে

. মীর্জা আজম: যুবলীগেরসাবেক সাধারন সম্পাদক এইহুইপটি পিলখানার ঘটনাকালে বিদ্রোহীদের সাথে সেল ফোনেকথা বলতে শুনা যাচ্ছিল সেহত্যাকারীদের সুনির্দিষ্টভাবে নির্দেশ দেয় কর্নেল গুলজারেরচোখ তুলে ফেলতে এবংদেহ নষ্ট করে ফেলতে(এর অডিও রেকর্ড আছে), কেননা ্যাবের পরিচালককর্নেল গুলজারের নেতৃত্বে জেএমবির প্রধান শায়খ আবদুররহমানকে ধরা হয়েছিল পরে ফাঁসি দেয়া হয় শায়খরহমান ছিল মির্জা আজমেরদুলাভাই আজমএভাবেই দুলাভাই হত্যার বদলা নেয়গুলজারকে হত্যা করে, এমনকিতার লাশও জ্বালিয়ে দেয়াহয় এছাড়াও২০০৪ সালে নানক-আজমেরব্যবস্থাপনায় শেরাটন হোটেলের সামনেগানপাউডার দিয়ে দোতলা বাসেআগুন লাগিয়ে ১১ বাসযাত্রী পুড়িয়েমারার ঘটনা তদন্ত করেএই গুলজারই নানক-আজমকে সম্পৃক্তকরে এরপ্রতিশোধেই গুলজারে শরীর এমন ভাবেনষ্ট করা হয়, যেনোকেউ চিনতে না পারে ১৫দিন পরে ডিএনএ টেষ্টকরে চিহ্নিত করা হয় গুলজারেরলাশ
. জাহাঙ্গীর কবির নানক: এলজিআরডিপ্রতিমন্ত্রী। উনি বিডিআরের ঘাতকদেরনেতা ডিএডি তৌহিদের ক্লাশমেট।বিডিআর ট্রাজেডির আগে থেকেই তৌহিদযোগাযোগ রাখত নানকের সঙ্গে।ঘটনার দিন ২০৪ মিনিটকথা বলে তৌহিদ-নানক।২৫ তারিখ বিকালে পিলখানারবিদ্রোহীদের নিয়ে শেখ হাসিনারকাছে গিয়ে মিটিং করিয়েনিরাপদে ফেরত পাঠায় সে।ডিএডি তৌহিদকে বিডিআরের অস্থায়ী ডিজি ঘোষণা করেনানক। কর্নেল গুলজার হত্যায়মীর্জা আজমের সাথে নানকসরাসরি জড়িত। কেননা, ্যাবের পরিচালক গুলজারইতদন্ত করে উদঘাটন করে- শেরাটনের সামনে দোতলা বাসজ্বালিয়ে ১১ যাত্রী হত্যাকরা হয় নানকের নির্দেশে।২৫ তারিখে বেঁচে যাওয়ালে: কর্নেল মঞ্জুর এলাহীপালিয়ে ছিল ম্যানহোলে। তারস্বজনরা এসএমএস মারফত খবরপেয়ে নানকের সাহায্য চায়।উদ্ধার করার বদলে অফিসারটিকে খুঁজে বের করেহত্যা করায় নানক। এটাসেনানিবাসের সবাই জানে। সেনাবাহিনীরতদন্ত পর্ষদ এড়াতে তদন্তেরসময় নানক হঠাৎ বুকেরব্যথার অযুহাতে চিকিৎসার কথা বলে অনেকদিনসরে থাকে সিঙ্গাপুরে। নিয়ে সেনা অফিসারদের মধ্যেউত্তেজনা সৃষ্টি হয়। ঘটনায় ব্রিগেডিয়ার হাসান নাসিরকে চাকরীচ্যুতকরে হাসিনা
. সাহারা খাতুনঃ সুপরিকল্পিতবিডিআর ধংসযজ্ঞ সংগঠনের নিমিত্ত ভারতের পরামর্শে হাসিনারকেবিনেটে স্বরাষ্ট্র মন্ত্রী নিয়োগ করা হয়অথর্ব সাহার খাতুনকেবিদ্রোহের দিন কোনো তৎপরতাছিলো না সাহারারবরং সেনা অভিযান পিলখানায় ্যাব ঢোকারঅনুমতি চাইলে সাহারা খাতুননাকরে দেনবিকালে বিদ্রোহীদের সাথে করে প্রেসব্রিফিং করে এই মন্ত্রী অথচডিজি শাকিলের কোনো খোঁজ নেয়ারচেষ্টা করেননি কারনসে সব জানতবিদ্রোহীদের সাথে সমঝোতার পরেরাতে তিনি পিলখানায় যেতেচাননি বরংআইজি নূর মোহাম্মদ তারমেয়েকে পিলখানা থেকে উদ্ধারের জন্যএকাই অভিযান চালাতে উদ্যতহলে ঠেলায় পরে সাহারাযান পিলখানায়, তাও প্রধানমন্ত্রীর বুলেটপ্রুফগাড়িতে চড়ে তিনিবিডিআর অফিসারদের পরিবার পরিজন উদ্ধারনা করে কেবল আইজিপিনুর মোহাম্মদের কন্যাকে উদ্ধার করেনঅথচ বাকী পরিবার রাতের আঁধারে নির্যাতিত হয় সাহারাখাতুনের সাথে প্রধানমন্ত্রীর মেডিকেলটীমের এম্বুলেন্স রেড ক্রিসেন্টেরএম্বুলেন্স পিলখানায় ঢুকে এরপরেপিলখানার বাতি নিভিয়ে ঘাতকদের এম্বুলেন্সে করে পিলখানার বাইরেনিরাপদ যায়গায় সরানো হয়তখনও অনেক অফিসার আহতহয়ে পিলখানা নানাস্থানে লুকিয়ে ছিলো কিন্তুসাহারা এদের উদ্ধার করেনি কর্নেলএমদাদ, কর্নেল রেজা্, আফতাব কর্নেল এলাহীকে সাহারাপিলখানা ত্যাগ করার পরেহত্যা করা হয়
১০. শেখ সেলিম: শেখহাসিনার ফুফাত ভাই। ১৫আগষ্ট ১৯৭৫ ঘটনায় সেধরা পরেও রহস্যজনকভাবে বেঁচেযায়, কিন্তু তার ভাইশেখ মনি নিহত হয়।সেনাবাহিনীর ওপরে তারও রাগছিলো প্রচন্ড। তা ছাড়া /১১র পরে সেনারাধরে নিয়ে যায়ে এইসেলিমকে, এবং ডিজিএফআই সেলেব্যাপক নির্যাতন করে শেখ হাসিনারঅনেক গোপন কথা, চাঁদাবাজি, বাসে আগুণ দেয়া সংক্রান্তজবানবন্দী আদায় করে। এতেকরে সেনাবাহিনীর সেটআপের উপরতার রাগ ছিল। বিডিআরেরঘটনার আগে বিদ্রোহী দলটিকয়েকদফা মিটিং করে শেখসেলিমের সাথে। ১৩ ফেব্রুয়ারীতেশেখ সেলিমের বনানীর বাসায় ধরনের একটি মিটিং হয়বলে সেনা তদন্তে প্রমানপাওয়া গেছে
১১. সোহেল তাজ: স্বরাষ্ট্রপ্রতিমন্ত্রীসোহেল তাজ ষড়যন্ত্রের পরিকল্পনায়অন্তর্ভুক্ত ছিল। শেখ সেলিমেরবাসায় অনুষ্ঠিত মিটিংয়ে সোহেল যোগ দেয়।বিদেশী হত্যাকারীদেরকে নিরাপদে মধ্যপ্রাচ্য, লন্ডন আমেরিকায়পৌছানোর দায়িত্ব দেয়া হয়েছিল সোহেলতাজকে। জনগনকে ধোকা দেয়ারজন্য প্রচার করা ঘটনারসময় তাজ আমেরিকায় ছিল।এটি সম্পুর্ন মিথ্যা কথা। সেসময়ে তাজ ঢাকায়ই ছিল।২৮ ফেব্রুয়ারী সন্ধায় সেনাবাহিনীর হেলিকপ্টারে কয়েকজন হত্যাকারীসহ তাকে সিলেটে নিয়েযাওয়া হয়, এবং সেরাতেই তাজ ওসমানী বিমানবন্দরথেকে হত্যাকারীদের সাথে নিয়ে বিদেশেরপথে যাত্রা করে। সেইহেলিকপ্টারের একজন পাইলট ছিললেঃ কর্নেল শহীদ। যাকেপরে হত্যা করা হয়, টাঙ্গাইলে রহস্যজনক হেলিকপ্টার দুর্ঘটনায় মেজর জেনারেল রফিকুলইসলামের সাথে। এছাড়া বিমানেরবিজি ফ্লাইট ০৪৯ দুঘন্টা বিলম্ব করেচারজন খুনী বিডিআরকে দুবাইতেপার দেয়া হয়। খবরটি মানবজমিন ছাপে মার্চ২০০৯.
১২. কর্নেল ফারুক খান: তিনি ছিলেন পিলখানা বিদ্রোহেরঘটনা তদন্তের লক্ষে গঠিত ৩টিকমিটির সমন্বয়কের দায়িত্বে। জনগণকে ধোকা দেয়ারজন্য প্রথমেই তিনি ঘোষণা করেন, পিলখানার ঘটনায় ইসলামী জঙ্গীরাজড়িত। এটা খাওয়ানোর জন্যসোবহান নামে এক লোককেব্যবহারের চেষ্টা করা হয়।পরে কুলাতে না পেরেসেখান থেকে সরে আসেন।সেনাবাহিনীর তদন্তে অনেক সত্যকথা উঠে আসলেও তাআলোর মুখ দেখেনি এইফারুক খানের জন্য। ধামাচাপাদেয়া হয় মূল রিপোর্ট।প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার নির্দেশেমূল রিপোর্ট বদল করে গোজামিলেররিপোর্ট তৈরী করান ফারুকখান
১৩. হাজী সেলিম: লালবাগএলাকার আওয়ামীলীগের সাবেক এমপিবিডিআর হত্যাকান্ডের সময় তিনি খুনীদেররাজনৈতিক সাপোর্ট দিয়েছেন ফেব্রুয়ারীরমাঝামাঝি সময়ে হাজী সেলিমবেশ কিছু গোলাবারুদ ক্রয়করে, যা ভারতীয় খুনীরাপ্রথমে ব্যবহার করে ঘটনারদিন দুপুরে হাজী সেলিমেরলোকেরা বিডিআর নংগেটে বিদ্রোহীদের পক্ষে মিছিল করে ২৫তারিখ রাতের আঁধারে পিলখানারবাতি নিভিয়ে দেয়াল টপকে সাধারনপোষাক পরে বিদ্রোহীরা লালবাগএলাকা দিয়ে পালিয়ে যায়হাজী সেলিমের সিমেন্ট ঘাটকে ব্যবহার করে হাজীসেলিমের সন্ত্রাসীরা স্থানীয় জনগনকে সেখান থেকেসরিয়ে রাখে একটিবেসকারী টিভি চ্যানেল ২৫তারিখ রাত ১টার সংবাদেউক্ত ঘটনার খবর প্রচারকরে সেইরিপোর্টে ঘটনার কয়েকজন প্রত্যক্ষদর্শীরসাক্ষ্য তুলে ধরে, যাতেবলা হয় যে, বেশকিছু স্পীডবোর্টকে তারা আসা যাওয়াকরতে দেখেছে; কিন্তু তারা কাছাকাছিযেতে পারেনি যেহেতু আওয়ামীলীগেরকিছু কর্মীরা তাদেরকে সেদিকে যেতে বাধাদেয়
১৪. তোরাব আলী তার ছেলে লেদার লিটন: আওয়ামীলীগের ৪৮ নং ওয়ার্ডেরসভাপতি। ২৮ ডিসেম্বর নির্বাচনেরআগে এ্বই তোরাব আলীবিডিআর বিদ্রোহীদের পরিচয় করিয়ে দেয়এমপি তাপসের সাথে। মূলপরিকল্পনায় তোরাব আলীকে অন্তর্ভুক্তকরা হয় স্থানীয় লজিষ্টিকসম্বয় সাধনের জন্য। তারবাড়িতেও বিদ্রোহীদের মিটিং হয়েছে। সেমূলত অবৈধ অস্ত্রের ডিলার।তার ছেলে সন্ত্রাসী লেদারলিটনের মাধ্যমে বিদ্রোহী বিডিআরদের পালিয়ে যাবার ব্যবস্থা করে। সংক্রান্ত খরচাদি আগেই তাকেদেয়া হয়। উক্ত লিটনকে মাস আগে তাপস নানক জেল থেকেছাড়িয়ে আনে। ২৫ ফেব্রুয়ারীরাত ৭টা থেকে ৯টারমধ্যে স্পীড বোটযোগে হত্যাকারীদেরবুড়িগঙ্গা নদী পার করিয়েদেয় লেদার লিটন
১৫. মহিউদ্দিন খান আলমগীর: পিলখানারঘটনার সময় এই সাবেকআমলা জনতার মঞ্চেরপ্রতিষ্ঠাতা মখা মেতে উঠেনবিভৎস উল্লাসে। বার বার ফোনকরে খোঁজ নেন বিদ্রোহীদেরকাছে, এর অডিও রেকর্ডআছে। এমনকি নিহতদের লাশগোপন করার জন্য এসিডদিয়ে পুড়িয়ে দেয়ার হুকুমদাতা ছিলেনতিনি। যার বদৌলতে তাকেপরে প্রমোশন দেয়া হয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীতে
১৬. হাসানুল হক ইনু: বাংলাদেশেররাজনীতির অন্ধকার গলির নেতা। তিনি১৯৭৫ সালে অনেক সেনাঅফিসার হত্যা করেছেন কর্নেলতাহের বাহিনীর সেকেন্ড ইন কমান্ড থেকে।১৯৭৫ সাল থেকে অদ্যাবধিদেশে সংঘটিত সকল সামরিকঅভ্যুত্থানে তার যোগসাজস রয়েছে।পিলখানা হত্যাযজ্ঞের সময় তিনি তারঘনিষ্ট বিডিআরদের ফোন করে হত্যায়উৎসাহ যুগিয়েছেন, এবং তাদের পরামর্শদিয়েছেন কি করে লাশগোপন করতে হবে


পাঁচ বছর হয়ে গেছে৫৭ সেনা অফিসার সহ৭৭ মানুষ হত্যার। বিডিআরবাহিনী বিলুপ্ত করা হয়েছে। ভারতীয়সহায়তায় বিজিবি গঠন করাহয়েছে, যারা এখন বিএসএফেরসাথে ভাগাভাগি করে ডি্উটি করে! কয়েক হাজার বিডিআর সদস্যকেকোমরে দড়ি লাগিয়ে বিচারেরপ্যারেড করানো হয়েছে। জেলহয়েছে সবার। অন্যদিকে রাঘববোয়লদের বিরুদ্ধে সাক্ষী গায়েব করতে৫৩ জন বিডিআরকে পিটিয়েহত্যা করা হয়েছে। কিন্তু৫৭ সেনা হত্যার বিচারএখনো বাকী। যেনো তেনোকোনো বিচার চায়না সেনাবাহিনী।তাই হত্যা মামলাও আগাচ্ছেনা। যতদিন লাগে লাগুক, হয় কঠিন বিচার হবে, নয়ত বদলা হবে, এটাইতাদের চাওয়া



0 comments:

Post a Comment